Fun88 লগইন Forum
ফোরাম » Fun88 লগইন » Fun88 লগইন

Fun88 লগইন

শুরু করেছেন user78088 · 26-05-27 · 83129 replies · 47403 ভিউ

user99514

২. রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০২৬ বিপিএল চ্যাম্পিয়ন—চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সকে ৬৩ রানে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আধিপত্যপূর্ণ খেলা দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জয় করেছে। শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ১৮২ রান করে ৫ উইকেট হারায়। ব্যাটিং লাইনের প্রথম দিকে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের অসামান্য অংশগ্রহণ রাজশাহীর স্কোরকে উচ্চতর করে, যেখানে শান্ত ৪৫ রান এবং লিটন ৫১ রান করেন। বিদেশী খেলোয়িড় স্টিভেন্স মিথুন ও রাসেল ক্রুজের শেষের দিকের আক্রমণাত্মক খেলা স্কোরকে আরও বাড়ায়। উলটে গেলে চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সের ব্যাটিং লাইন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয় এবং মাত্র ১১৯ রানে ১০ উইকেটে অলআউট হয়ে যায়। রাজশাহীর বোলাররা শান্ত, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের অপরিহার্য অবদানে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদেরকে বারবার আউট করে। মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট লাভ করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ট্রফি জয় করেন। এই জয়ের পর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘‘আমাদের দলের প্রস্তুতি ও দলনেতৃত্বই আজ জয়ের মূল কারণ।’’ বিপিএল ২০২6 পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দর্শকপ্রিয় হয়েছে এবং স্টেডিয়ামে ভিড় জমেছে। বিসিবি কর্মকর্তারা বলেন, বিপিএল দেশীয় ক্রিকেটের উন্নতি, নতুন খেলোয়িড় তৈরি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আগামী বিপিএল সিজনে আরও বেশি বিদেশী খেলোয়িড়কে আমন্ত্রণ দেওয়ার এবং লিগের মান উন্নত করার প্রকল্প রয়েছে বলে জানা গেছে।.

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আধিপত্যপূর্ণ খেলা দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জয় করেছে। শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ১৮২ রান করে ৫ উইকেট হারায়। ব্যাটিং লাইনের প্রথম দিকে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের অসামান্য অংশগ্রহণ রাজশাহীর স্কোরকে উচ্চতর করে, যেখানে শান্ত ৪৫ রান এবং লিটন ৫১ রান করেন। বিদেশী খেলোয়িড় স্টিভেন্স মিথুন ও রাসেল ক্রুজের শেষের দিকের আক্রমণাত্মক খেলা স্কোরকে আরও বাড়ায়। উলটে গেলে চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সের ব্যাটিং লাইন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয় এবং মাত্র ১১৯ রানে ১০ উইকেটে অলআউট হয়ে যায়। রাজশাহীর বোলাররা শান্ত, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের অপরিহার্য অবদানে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদেরকে বারবার আউট করে। মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট লাভ করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ট্রফি জয় করেন। এই জয়ের পর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘‘আমাদের দলের প্রস্তুতি ও দলনেতৃত্বই আজ জয়ের মূল কারণ।’’ বিপিএল ২০২6 পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দর্শকপ্রিয় হয়েছে এবং স্টেডিয়ামে ভিড় জমেছে। বিসিবি কর্মকর্তারা বলেন, বিপিএল দেশীয় ক্রিকেটের উন্নতি, নতুন খেলোয়িড় তৈরি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আগামী বিপিএল সিজনে আরও বেশি বিদেশী খেলোয়িড়কে আমন্ত্রণ দেওয়ার এবং লিগের মান উন্নত করার প্রকল্প রয়েছে বলে জানা গেছে।.

reply70542

Re: ২. রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০২৬ বিপিএল চ্যাম্পিয়ন—চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সকে ৬৩ রানে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয় ২. রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০২৬ বিপিএল চ্যাম্পিয়ন—চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সকে ৬৩ রানে পরাজিত করে ঐতিহাসিক জয়.

posted 26-05-26
reply30565

Re: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ২০২৬ এর ফাইনাল ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স আধিপত্যপূর্ণ খেলা দেখিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি জয় করেছে। শের-ই-বাংলা ন্যাশনাল স্টেডিয়াম, মিরপুরে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ১৮২ রান করে ৫ উইকেট হারায়। ব্যাটিং লাইনের প্রথম দিকে নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাসের অসামান্য অংশগ্রহণ রাজশাহীর স্কোরকে উচ্চতর করে, যেখানে শান্ত ৪৫ রান এবং লিটন ৫১ রান করেন। বিদেশী খেলোয়িড় স্টিভেন্স মিথুন ও রাসেল ক্রুজের শেষের দিকের আক্রমণাত্মক খেলা স্কোরকে আরও বাড়ায়। উলটে গেলে চট্টগ্রাম রয়্য়াল্সের ব্যাটিং লাইন সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয় এবং মাত্র ১১৯ রানে ১০ উইকেটে অলআউট হয়ে যায়। রাজশাহীর বোলাররা শান্ত, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদের অপরিহার্য অবদানে চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদেরকে বারবার আউট করে। মোস্তাফিজুর রহমান ৩ উইকেট লাভ করে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ট্রফি জয় করেন। এই জয়ের পর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বলেন, ‘‘আমাদের দলের প্রস্তুতি ও দলনেতৃত্বই আজ জয়ের মূল কারণ।’’ বিপিএল ২০২6 পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে দর্শকপ্রিয় হয়েছে এবং স্টেডিয়ামে ভিড় জমেছে। বিসিবি কর্মকর্তারা বলেন, বিপিএল দেশীয় ক্রিকেটের উন্নতি, নতুন খেলোয়িড় তৈরি ও আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা তৈরিতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। আগামী বিপিএল সিজনে আরও বেশি বিদেশী খেলোয়িড়কে আমন্ত্রণ দেওয়ার এবং লিগের মান উন্নত করার প্রকল্প রয়েছে বলে জানা গেছে।.

posted 26-05-25
reply48363

Re: আইসিসি কর্তৃক অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) খেলোয়িড়দের সুরক্ষা সম্পর্কিত উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতে ম্যাচ খেলা করতে অস্বীকার করেছিল। বিসিবি আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল যেন গ্রুপ সি-এর বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু আইসিসি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিল যে টুর্নামেন্টের সময়সূচী ও স্থান পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পর, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ আইসিসি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে নেয় এবং তাদের স্থানে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে এক অন্যায় ও দুঃখজনক ঘটনা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, কারণ এটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। বিসিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে যে, তারা খেলোয়িড়দের জীবন সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং আইসিসির সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আগামী দিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করবে। এছাড়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ সি-এর অন্যান্য দলগুলোর জন্যও এই পরিবর্তন একটি বড় সমস্যা তৈরি করেছে, কারণ তাদের প্রস্তুতি ও কৌশল পূর্বে নির্ধারিত বিপরীত দলের মাঝে ছিল। ভবিষ্যৎে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে কথা বলে এই সমস্যার সমাধান না পেলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অপরিহার্য হবে। আইসিসি কর্তৃক অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) খেলোয়িড়দের সুরক্ষা সম্পর্কিত উদ্বেগ প্রকাশ করে ভারতে ম্যাচ খেলা করতে অস্বীকার করেছিল। বিসিবি আইসিসিকে অনুরোধ করেছিল যেন গ্রুপ সি-এর বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়, কিন্তু আইসিসি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বলেছিল যে টুর্নামেন্টের সময়সূচী ও স্থান পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার পর, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬-এ আইসিসি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করে বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে সরিয়ে নেয় এবং তাদের স্থানে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে এক অন্যায় ও দুঃখজনক ঘটনা হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে, কারণ এটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট থেকে বাংলাদেশকে বহিষ্কার করা হচ্ছে। বিসিবি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে যে, তারা খেলোয়িড়দের জীবন সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং আইসিসির সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অসম্মানজনক বলে অভিহিত করে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনাটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক মর্যাদাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আগামী দিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে প্রভাবিত করবে। এছাড়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ সি-এর অন্যান্য দলগুলোর জন্যও এই পরিবর্তন একটি বড় সমস্যা তৈরি করেছে, কারণ তাদের প্রস্তুতি ও কৌশল পূর্বে নির্ধারিত বিপরীত দলের মাঝে ছিল। ভবিষ্যৎে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে কথা বলে এই সমস্যার সমাধান না পেলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অপরিহার্য হবে।.

posted 26-05-24